মাদ্রাসায় ডিজিটাল গেট পাস ও ভিজিটর ম্যানেজমেন্ট: অভিভাবক আগমন, ছুটি ও ছুটির পর রিপোর্টিং এসওপি
পেপারলেস অ্যাডমিশন⏱️ ১৭ মিনিট পড়ার সময়👁️ বার দেখা হয়েছে

মাদ্রাসায় ডিজিটাল গেট পাস ও ভিজিটর ম্যানেজমেন্ট: অভিভাবক আগমন, ছুটি ও ছুটির পর রিপোর্টিং এসওপি

আবাসিক মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাস ত্যাগ, অভিভাবক আগমন ও ডিজিটাল গেট পাস, কিউআর ভিজিটর লগইন এবং হোস্টেল নিরাপত্তা ফ্রেমওয়ার্ক।

📌সংক্ষেপে (TL;DR)

আবাসিক মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাস ত্যাগ, অভিভাবক আগমন ও ডিজিটাল গেট পাস, কিউআর ভিজিটর লগইন এবং হোস্টেল নিরাপত্তা ফ্রেমওয়ার্ক।

একটি শত শত শিক্ষার্থীর আবাসিক মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীদের সার্বিক নিরাপত্তা, অনুমতি ছাড়া ক্যাম্পাসের বাইরে যাওয়া রোধ এবং অননুমোদিত বহিরাগতদের অবাধ প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করা এক পরম দায়িত্ব। কিন্তু বহু মাদ্রাসায় কোনো সুনির্দিষ্ট গেট পাস ব্যবস্থা না থাকা, দারোয়ানের কাছে মৌখিক অনুমতিতে বাইরে যাওয়া কিংবা অভিভাবকের পরিচয় নিশ্চিত না করে শিশুকে যে কারো সাথে ছুটি দেওয়ার কারণে মারাত্মক নিরাপত্তা ঝুঁকি ও বিভ্রান্তি তৈরি হয়। অনেক সময় কোনো ছাত্র ছুটি কাটিয়ে ফিরে এসে কাউকে না জানিয়ে ক্লাসে ঢুকে পড়ে, ফলে শিক্ষকরা উপস্থিতির সঠিক হিসাব মেলাতে পারেন না।

মাদ্রাসায় ডিজিটাল গেট পাস ও ভিজিটর ম্যানেজমেন্ট ফ্রেমওয়ার্ক (Madrasa Digital Gate Pass & Visitor Security SOP) হলো একটি স্মার্ট, আধুনিক ও নিরাপদ সিকিউরিটি সিস্টেম, যার মাধ্যমে অভিভাবক অ্যাপে ছুটির আবেদন, হোস্টেল সুপারের ডিজিটাল অ্যাপ্রুভাল, গেটে ১ সেকেন্ডে কিউআর কোড স্ক্যান এবং প্রত্যাবর্তন লগ নিশ্চিত করা হয়। JamiaSoft এসএমএস ও গেট পাস মডিউলের মাধ্যমে ছাত্র ক্যাম্পাসের বাইরে পা রাখার সাথে সাথে পিতার মোবাইলে স্বয়ংক্রিয় বহির্গমন এসএমএস চলে যায়। এর ফলে শিক্ষার্থীদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়।

পিতা-মাতার পরম আমানত সন্তানকে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার চাদরে আগলে রাখা প্রতিটি মাদ্রাসা প্রশাসনের এক পবিত্র দায়িত্ব।

১. সনাতন গেট ব্যবস্থাপনার প্রধান ৪টি মারাত্মক নিরাপত্তা ঝুঁকি

মৌখিক ও খাতা নির্ভর গেট ব্যবস্থার দুর্বলতাসমূহ:

  • ১. দারোয়ানকে ফাঁকি দিয়ে প্রাচীর টপকে বাইরে যাওয়া: কোনো লিখিত ট্র্যাক না থাকায় ছাত্রের অবস্থান অজ্ঞাত থাকা।
  • ২. ভুয়া অভিভাবক সেজে ছাত্রকে নিয়ে যাওয়ার ঝুঁকি: পরিচয় যাচাই না করে অপরিচিত আত্মীয়ের হাতে শিশু তুলে দেওয়া।
  • ৩. ছুটি শেষে সঠিক সময়ে রিপোর্ট না করা: ছাত্র কবে ফিরে আসল তার কোনো অফিসিয়াল এন্ট্রি না থাকা।
  • ৪. বহিরাগতদের অননুমোদিত প্রবেশ: ক্যাম্পাসে সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের ঘোরাফেরা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি।

২. সনাতন খাতা পদ্ধতি বনাম JamiaSoft স্মার্ট ডিজিটাল গেট পাস

সনাতন খাতা পদ্ধতি ও আধুনিক ডিজিটাল কাঠামোর তুলনামূলক সুবিধা:

বৈশিষ্ট্যের ক্ষেত্রসনাতন কাগজের স্লিপ ও খাতাJamiaSoft সমন্বিত ডিজিটাল গেট পাস
ছুটির অনুমোদনের মাধ্যমকাগজে উস্তাদের স্বাক্ষর নেওয়া (জাল হওয়ার ঝুঁকি)মোবাইল অ্যাপে হোস্টেল সুপার ও মুহতামিমের এনক্রিপ্টেড ডিজিটাল পাস
গেটে ভেরিফিকেশনের গতিদারোয়ান খাতা খুঁজতে ৫ মিনিট অপচয়দারোয়ানের স্মার্টফোনে কিউআর কোড স্ক্যানে ২ সেকেন্ডে ছাত্রের ছবি ও ভ্যালিডেশন
অভিভাবককে তাৎক্ষণিক অ্যালার্টকোনো যোগাযোগ থাকে নাগেট পাস স্ক্যান হতেই পিতার মোবাইলে "আপনার সন্তান গেট অতিক্রম করেছে" এসএমএস
ভিজিটর ও মেহমানদের এন্ট্রিখাতায় নাম-ফোন নম্বর লেখা (অধিকাংশ সময় ভুয়া)ওটিপি (OTP) ভেরিফিকেশন ও ডিজিটাল ক্যামেরা স্ন্যাপশট ভিজিটর পাস
হোস্টেলে ফেরার রি-এন্ট্রি লগছাত্র চুপচাপ রুমে চলে যায়ফেরার সময় গেটে রি-স্ক্যান হতেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে মেস মিল ও হাজিরা পুনরায় চালু

৩. ডিজিটাল গেট পাস ও ছুটির ৪-স্তরের আদর্শ এসওপি

নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল বহির্গমন প্রক্রিয়ার ধারাবাহিক ধাপ:

  • ১ম স্তর: অভিভাবক কর্তৃক ছুটির আবেদন: প্যারেন্ট অ্যাপ থেকে কারণ ও প্রত্যাশিত ফেরার সময় উল্লেখ করে সাবমিট।
  • ২য় স্তর: তালীমাত ও হোস্টেল সুপারের অনুমোদন: ছাত্রের পড়া ও মেস ব্যালান্স যাচাই করে ডিজিটাল গেট পাস ইস্যু।
  • ৩য় স্তর: প্রধান গেটে কিউআর স্ক্যান ও প্রস্থান: দারোয়ানের স্ক্রিনে সবুজ আলো ও ছাত্রের ছবি দেখে গেট উন্মুক্তকরণ।
  • ৪র্থ স্তর: ছুটি শেষে প্রত্যাবর্তন ও অটো-ক্লোজিং: মাদ্রাসায় ফিরতেই পুনরায় কিউআর স্ক্যান করে হোস্টেল সুপারের নোটিফিকেশন।

৪. ক্যাম্পাস নিরাপত্তায় ৫টি সোনালী প্রাতিষ্ঠানিক এসওপি

মুহতামিম ও সিকিউরিটি সুপারের জন্য নির্দেশিকা:

  • ১. JamiaSoft এসএমএস ও গেট পাস টুল ব্যবহার: jamiasoft.com/tools/sms-counter লিংকে গিয়ে অ্যালার্ট ফরম্যাট দেখা।
  • ২. গেটে ডিজিটাল সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন: প্রবেশ ও প্রস্থানকারীর চেহারা পরিষ্কারভাবে রেকর্ড রাখা।
  • ৩. নির্ধারিত ভিজিটিং আওয়ার (Visiting Hours) কঠোরভাবে প্রয়োগ: আসরের পর ছাড়া ক্লাসের সময় সাক্ষাৎ নিষিদ্ধ করা।
  • ৪. অভিভাবকের এনআইডি ও ফোন নম্বর ডাটাবেজের সাথে ম্যাচিং: সংরক্ষিত পিতা বা অভিভাবক ছাড়া অন্য কারো সাথে ছুটি না দেওয়া।
  • ৫. আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে আমানত রক্ষা: প্রতিটি শিশুর জান ও মালের সুরক্ষায় আন্তরিক প্রহরা।

৫. বিভিন্ন অঞ্চলের মাদ্রাসায় ডিজিটাল গেট পাসের বাস্তব কেস স্টাডি

বাংলাদেশের সেরা প্রতিষ্ঠানগুলোর অনুপ্রেরণামূলক ফলাফল:

  • ঢাকার একটি মডেল জামিয়া: কিউআর গেট পাস চালু করার পর ক্যাম্পাসের অননুমোদিত ঘোরাফেরা ১০০% বন্ধ হয় এবং অভিভাবকরা সর্বোচ্চ আস্থা প্রকাশ করেন।
  • চট্টগ্রামের একটি শীর্ষস্থানীয় হিফজ একাডেমি: স্বয়ংক্রিয় এসএমএস অ্যালার্ট দেওয়ায় সন্তান রাস্তায় কোনো বিপদে আছে কিনা তা পিতা তাৎক্ষণিক জানতে পারেন।
  • সিলেটের একটি গ্রামীণ বালিকা মাদ্রাসা: বায়োমেট্রিক ও ডিজিটাল ভিজিটর লগইন কার্যকর করে ছাত্রীদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে।

৬. প্রধান ফটকের দারোয়ান ও সিকিউরিটি সুপারের জন্য ৫-দফা চেকলিস্ট

প্রতিদিনের তদারকিতে দায়িত্বশীল প্রহরীর করণীয়:

  • ১. সকাল ৭:০০ টায় গেটের স্মার্টফোন ও স্ক্যানার অন: চার্জ ও ইন্টারনেট সংযোগ পরীক্ষা করা।
  • ২. প্রতিটি আগত মেহমানের ওটিপি ভেরিফিকেশন: ভুয়া নম্বর সনাক্ত করে প্রবেশ রোধ করা।
  • ৩. গেট পাসের মেয়াদোত্তীর্ণ সময় পরীক্ষা: নির্দিষ্ট সময়ের পর ছাত্র বের হতে চাইলে সুপারকে জানানো।
  • ৪. গেটের সামনে কোনো অবাঞ্ছিত ভিড় জমতে না দেওয়া: শৃঙ্খলাপূর্ণ ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ রাখা।
  • ৫. রাত ১০:০০ টায় প্রধান ফটকে হেভি লক লাগানো: জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কোনো প্রবেশ বা প্রস্থান বন্ধ করা।

৭. প্রাতিষ্ঠানিক আমানত ও আধুনিক শৃঙ্খলার ৫টি চিরস্থায়ী মূলনীতি

প্রতিষ্ঠানের সুনাম, বরকত ও দীর্ঘমেয়াদী স্থায়িত্ব বজায় রাখতে উস্তাদ ও পরিচালনা কমিটির দায়িত্ব:

  • ১. শতভাগ শরয়ী স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা: হিসাব-নিকাশ ও তালীমাতের প্রতিটি পদক্ষেপে আল্লাহর ভয় ও মুহতামিমের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধান বজায় রাখা।
  • ২. শিক্ষার্থীদের পিতা-মাতাতুল্য স্নেহ প্রদান: কোনো কঠোরতা বা অসৌজন্যমূলক আচরণ না করে ভালোবাসার সাথে শিক্ষাদান নিশ্চিত করা।
  • ৩. তথ্যের নিরাপদ ও স্থায়ী ডিজিটাল ব্যাকআপ: খাতা হারিয়ে যাওয়ার ঝুঁকি এড়াতে JamiaSoft ক্লাউড সার্ভারে সমস্ত ডাটা সংরক্ষণ।
  • ৪. অভিভাবকদের সাথে নিয়মিত নিবিড় যোগাযোগ: শিক্ষার্থীর সবক অগ্রগতি ও মেসের সন্তুষ্টি নিয়ে প্রতি মাসে অন্তত একবার মতবিনিময়।
  • ৫. পরিচালনা কমিটির ত্রৈমাসিক রিভিউ অধিবেশন: প্রতিষ্ঠানের আর্থিক বাজেট ও পরীক্ষা ফলাফলের সার্বিক অগ্রগতি পর্যালোচনা।

৮. শুক্রবারের জুমার ছুটি ও সান্ধ্যকালীন মুভমেন্ট কন্ট্রোল

শুক্রবার হলো সাধারণ ছুটির দিন। এই দিনে বহু ছাত্র বাইরে চুল কাটানো বা প্রয়োজনীয় জিনিস কিনতে যায়। তাদের মুভমেন্ট সুশৃঙ্খল রাখা আবশ্যক।

  • ১. নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেওয়া: জুমার পর দুপুর ২:৩০ থেকে বিকাল ৫:০০ টার মধ্যে ক্যাম্পাসে ফেরা বাধ্যতামূলক।
  • ২. দলবদ্ধভাবে বের হওয়ার গ্রুপ পাস সিস্টেম: প্রতি গ্রুপে একজন দায়িত্বশীল সিনিয়র ছাত্রকে দলনেতা বানানো।
  • ৩. কোনো অনৈসলামিক দোকানে যাওয়া পুরোপুরি নিষিদ্ধ: সিনেমা হল, গেম জোন বা অনৈতিক স্থানে যাওয়া কঠোরভাবে দমন।
  • ৪. আসরের জামাতে সকল ছাত্রের উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ: বাইরে থাকলেও আসরের পূর্বেই ক্যাম্পাসের মসজিদে ফেরা।

৯. ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষের সিকিউরিটি আধুনিকায়ন অ্যাকশন প্ল্যান

পরিচালনা কমিটির রূপরেখা:

  • ১. প্রধান ফটকে আধুনিক অটোমেটেড বুম ব্যারিয়ার ও টার্নস্টাইল গেট স্থাপন: কার্ড পাঞ্চ করলেই গেট ওপেন হওয়া।
  • ২. দারোয়ান ও নিরাপত্তা প্রহরীদের বিশেষ আধুনিক প্রশিক্ষণ: হাসিমুখে ভদ্র ভাষায় কথা বলার শিষ্টাচার শেখানো।
  • ৩. ক্যাম্পাস বাউন্ডারি ওয়ালের ওপর ফেন্সিং ও অ্যালার্ম সেন্সর: রাতের অন্ধকারে কোনো বহিরাগত প্রবেশ রোধ।
  • ৪. অভিভাবকদের জন্য আধুনিক ওয়েটিং লাউঞ্জ নির্মাণ: ক্যাম্পাসের ভেতরে না ঢুকে বাইরে বসার সুব্যবস্থা।
  • ৫. নিরাপদে দ্বীনি ইলম চর্চার সুনিবিড় পরিবেশ রক্ষা: সকল ফিতনা থেকে প্রতিষ্ঠানকে মুক্ত রাখার দোয়া।

১০. নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার সুদূরপ্রসারী ইতিবাচক সুফল

যখন একটি মাদ্রাসায় শতভাগ নিরাপত্তা নিশ্চিত থাকে, তখন পিতা-মাতা নিশ্চিন্তে তাদের আদরের সন্তানকে মাদ্রাসার হাতে তুলে দেন।

  • ১. শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় পূর্ণ মনোযোগ: কোনো বহিরাগত ঝামেলা না থাকায় ক্লাসরুমে গভীর একাগ্রতা।
  • ২. অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা ও আইনি ঝামেলা থেকে চিরতরে মুক্তি: কোনো শিক্ষার্থী হারিয়ে যাওয়া বা অপহৃত হওয়ার ঝুঁকি শূন্য।
  • ৩. অভিভাবক সমাজে মাদ্রাসার আকাশচুম্বী মর্যাদা: সবচেয়ে নিরাপদ ও আধুনিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃতি লাভ।
  • ৪. দূর-দূরান্ত ও প্রবাসীদের সন্তুষ্টি: বিদেশে বসেও সন্তানের নিরাপত্তা নিশ্চিত জেনে পরম স্বস্তি লাভ।
  • ৫. আল্লাহর আমানত সফলভাবে হেফাজত: কিয়ামতের দিন আমানত রক্ষার পরম পুরস্কার লাভ।

১১. দ্বীনি আমানত রক্ষা ও মুহতামিমের চূড়ান্ত দিকনির্দেশনা

ক্যাম্পাসের প্রতিটি ইট ও প্রতিটি ছাত্রের জান-মাল আল্লাহর পবিত্র আমানত। এই আমানত রক্ষায় আধুনিক ডিজিটাল গেট পাস বাস্তবায়ন প্রতিটি মুহতামিমের এক অপরিহার্য প্রশাসনিক দায়িত্ব।

সাধারণ জিজ্ঞাসা ও প্রশ্নোত্তর (FAQs)

  • প্রশ্ন ১: ডিজিটাল গেট পাস কি ইন্টারনেট ছাড়া স্ক্যান করা যায়? উত্তর: হ্যাঁ, দারোয়ানের ফোনে অফলাইন মোডেও কিউআর কোড স্ক্যান করে ছাত্রের ছবি ও সত্যতা নিশ্চিত করা যায়।
  • প্রশ্ন ২: জরুরি প্রয়োজনে ছাত্র হঠাৎ বাড়ি যেতে চাইলে কীভাবে পাস হবে? উত্তর: মুহতামিম সাহেব বা নাজেমে হোস্টেল নিজস্ব পোর্টালে ১ ক্লিকে 'Emergency Exit Pass' জেনারেট করতে পারেন।
  • প্রশ্ন ৩: দারোয়ান যদি স্মার্টফোন চালাতে না পারেন তবে কী করণীয়? উত্তর: JamiaSoft গেট পাস ইন্টারফেস অত্যন্ত সহজ বড় বড় বাংলা বাটনে তৈরি যা ৫ মিনিটে যে কেউ শিখে নিতে পারে।
  • প্রশ্ন ৪: ছাত্রের সাথে কোনো বহিরাগত দেখা করতে আসলে নিয়ম কী? উত্তর: গেটে ভিজিটর লগে এনআইডি ও ওটিপি ভেরিফাই করে নির্দিষ্ট সাক্ষাৎ কক্ষে বসে কথা বলতে হবে।
  • প্রশ্ন ৫: সফটওয়্যারে কি গেট পাসের ইতিহাস সংরক্ষিত থাকে? উত্তর: হ্যাঁ, কোন তারিখে কতবার ছাত্র বাইরে গেছে তার সম্পূর্ণ লগ আজীবন সেভ থাকে।
  • প্রশ্ন ৬: ছুটি কাটিয়ে ফেরার সময় কি অভিভাবককে সাথে আসতে হবে? উত্তর: সাধারণ ছুটির জন্য গেট পাসের কিউআর রি-স্ক্যানই যথেষ্ট; তবে দীর্ঘ চিকিৎসার ছুটির পর অভিভাবকের স্বাক্ষর আবশ্যক।

১২. ডিজিটাল ক্যাম্পাস সিকিউরিটি ও অভিভাবকদের নিরঙ্কুশ আস্থা

ক্যাম্পাসের প্রতিটি ফটকে আধুনিক প্রযুক্তি ও ডিজিটাল নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে মাদ্রাসার ভাবমূর্তি আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত হয়।

  • ১. শিক্ষার্থীদের নিখোঁজ বা অপহৃত হওয়ার ঝুঁকি শূন্য: গেট পার হতেই অভিভাবকের মোবাইলে লাইভ এসএমএস।
  • ২. বহিরাগতদের অনধিকার প্রবেশ চিরতরে বন্ধ: নিরাপদ ও ফিতনামুক্ত পবিত্র শিক্ষার পরিবেশ রক্ষা।
  • ৩. হোস্টেলে সময়মতো উপস্থিতির শতভাগ নিশ্চয়তা: ছুটি শেষে যথাসময়ে ক্লাসে ফেরার শৃঙ্খলা।
  • ৪. অভিভাবক সমাজে মাদ্রাসার আকাশচুম্বী মর্যাদা: সবচেয়ে নিরাপদ ও দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিতি।
  • ৫. পিতা-মাতার পরম আমানতের সঠিক সুরক্ষা: শিশুদের হেফাজত করে আল্লাহর দরবারে পুরস্কৃত হওয়া।
  • জরুরি ছুটির রেকর্ড ও অভিভাবক টেলিফোন নিশ্চয়ন: কোনো ছাত্র বিশেষ কারণে হঠাৎ ক্যাম্পাস ত্যাগ করতে চাইলে হোস্টেল সুপার কর্তৃক সরাসরি অভিভাবকের সাথে ফোনে কথা বলে সত্যতা যাচাইয়ের পর সফটওয়্যারে জরুরি গেট পাস এপ্রুভ করা হয়। এর ফলে কোনো ধরনের ভুল বোঝাবুঝির সুযোগ থাকে না।
📅প্রকাশিত:
JamiaSoft টিম

JamiaSoft টিম

মাদ্রাসা ডিজিটালাইজেশন বিশেষজ্ঞ

সকল প্রবন্ধ →

JamiaSoft-এর সম্পাদক ও প্রযুক্তি দল — বাংলাদেশের কওমি, আলিয়া ও হিফজ মাদ্রাসার শরয়ী ফিন্যান্স, হিফজ ট্র্যাকিং ও ডিজিটাল অ্যাডমিশন নিয়ে নিয়মিত গাইড ও গবেষণা প্রকাশ করে।

আর্টিকেলটি ভালো লাগলে অন্যদের সাথে শেয়ার করুন

দ্বীনি প্রতিষ্ঠান ও মাদ্রাসার আর্থিক আমানতদারিতা ও আধুনিকায়নে তথ্যগুলো ছড়িয়ে দিন।

সম্পর্কিত প্রবন্ধ

নতুন শিক্ষাবর্ষে স্বয়ংক্রিয় রি-অ্যাডমিশন ও পেপারলেস সেশন রোলওভার এসওপি

নতুন শিক্ষাবর্ষে স্বয়ংক্রিয় রি-অ্যাডমিশন ও পেপারলেস সেশন রোলওভার এসওপি

কওমি মাদ্রাসায় নতুন শিক্ষাবর্ষে হাজার হাজার পুরাতন ছাত্রের রি-অ্যাডমিশন, ক্লাস প্রমোশন ও ফি সমন্বয়ের জটিলতা দূর করে ১-ক্লিকে ক্লাউড রোলওভার পরিচালনার পূর্ণাঙ্গ এসওপি।

মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীদের পিভিসি বায়োমেট্রিক আইডি ও স্মার্ট কার্ড প্রিন্টিং এসওপি: পেপারলেস ক্যাম্পাস

মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীদের পিভিসি বায়োমেট্রিক আইডি ও স্মার্ট কার্ড প্রিন্টিং এসওপি: পেপারলেস ক্যাম্পাস

মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের জন্য কিউআর কোড, আরএফআইডি এবং বায়োমেট্রিক সমন্বিত ডিজিটাল পিভিসি আইডি কার্ড প্রিন্ট ও ক্যাম্পাস নিরাপত্তা এসওপি।

কওমি মাদ্রাসায় আরবি ক্যালিগ্রাফি ও সুন্দর হস্তাক্ষর প্রশিক্ষণ একাডেমি এসওপি

কওমি মাদ্রাসায় আরবি ক্যালিগ্রাফি ও সুন্দর হস্তাক্ষর প্রশিক্ষণ একাডেমি এসওপি

কওমি মাদ্রাসায় আরবি, উর্দু ও বাংলা হস্তাক্ষর সুন্দরীকরণ, খাত্তাত তৈরি এবং আর্ন্তজাতিক ইসলামিক ক্যালিগ্রাফি একাডেমি প্রতিষ্ঠার প্রাতিষ্ঠানিক কারিকুলাম ও প্রশিক্ষণ এসওপি।

স্মার্ট মাদ্রাসা সলিউশন

আপনার মাদ্রাসায় JamiaSoft ব্যবহার করতে চান?

হিফজ ট্র্যাকিং, শরয়ী ফিন্যান্স ও অনলাইন ভর্তির আধুনিক অভিজ্ঞতা পেতে আজই ফ্রি ডেমো বুক করুন।

ফ্রি ডেমো বুক করুন →