রমজান মাসে মাদ্রাসার যাকাত কালেকশন ও ডিজিটাল ডোনেশন রসিদ এসওপি: ফান্ড সেগ্রিগেশন গাইড
madrasa-fundraising⏱️ 5 r?"?Y পড়ার সময়👁️ বার দেখা হয়েছে

রমজান মাসে মাদ্রাসার যাকাত কালেকশন ও ডিজিটাল ডোনেশন রসিদ এসওপি: ফান্ড সেগ্রিগেশন গাইড

রমজান মাসে মাদ্রাসার যাকাত ও লিল্লাহ ফান্ড কালেকশনে কীভাবে স্বচ্ছতা আনবেন? ডিজিটাল ডোনেশন রসিদ, অনলাইন ফান্ড রাইজিং এবং শরয়ী লেজার মেইনটেইন করার পূর্ণাঙ্গ এসওপি।

📌সংক্ষেপে (TL;DR)

রমজান মাসে মাদ্রাসার যাকাত ও লিল্লাহ ফান্ড কালেকশনে কীভাবে স্বচ্ছতা আনবেন? ডিজিটাল ডোনেশন রসিদ, অনলাইন ফান্ড রাইজিং এবং শরয়ী লেজার মেইনটেইন করার পূর্ণাঙ্গ এসওপি।

কওমি ও আবাসিক মাদ্রাসাগুলোর সবচেয়ে বড় আয়ের উৎস হলো রমজান মাস। সারা বছরের যাকাত, ফিতরা, লিল্লাহ এবং সাধারণ অনুদানের একটি বড় অংশ এই মাসে সংগৃহীত হয়। তবে রমজানে প্রচুর পরিমাণে ডোনেশন আসার কারণে মাদ্রাসার ক্যাশিয়ার বা মুহতামিমের পক্ষে ম্যানুয়াল খাতায় প্রতিটি রসিদের হিসাব রাখা অত্যন্ত কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে।

এছাড়া, সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো শরয়ী ফান্ড সেগ্রিগেশন (Shariah Fund Segregation)। যাকাতের টাকা কোনোভাবেই সাধারণ ফান্ড বা বিল্ডিং নির্মাণ ফান্ডের সাথে মেশানো যাবে না। যদি কোনো দাতা যাকাতের নিয়তে টাকা দেন, তবে সেটি অবশ্যই 'যাকাত ফান্ডে' এন্ট্রি হতে হবে এবং শুধুমাত্র হকদারদের (যেমন: গরিব ও এতিম ছাত্র) পেছনে ব্যয় করতে হবে। সাধারণ স্কুল সফটওয়্যারে এই ফান্ডের আলাদা লেজার না থাকায় শরীয়ত লঙ্ঘনের বড় ঝুঁকি থাকে।

এই এসওপি (SOP) আর্টিকেলে আমরা আলোচনা করব কীভাবে JamiaSoft ব্যবহার করে রমজানের এই ডোনেশন কালেকশনকে শতভাগ নিরাপদ, শরয়ী কমপ্লায়েন্ট এবং ডিজিটাল করা যায়।

১. ডিজিটাল ডোনেশন রসিদ (Digital Donation Receipt) তৈরি

রমজানে দাতারা যখন মাদ্রাসায় এসে টাকা দেন, তখন হাতে লেখা রসিদ বই ব্যবহার করা হয়। অনেক সময় হাতের লেখা বোঝা যায় না, অথবা কার্বনের কপি অস্পষ্ট হয়ে যায়।

এসওপি বাস্তবায়ন:

  • কাস্টম ডিজিটাল রসিদ: JamiaSoft-এর ডোনেশন মডিউলে দাতার নাম, ফোন নম্বর এবং টাকার পরিমাণ লিখলেই ১ ক্লিকে সুন্দর একটি ডিজিটাল রসিদ প্রিন্ট হয়ে যায়।
  • ফান্ড সিলেকশন ড্রপডাউন: রসিদ কাটার সময়ই সফটওয়্যারে ড্রপডাউন থেকে 'যাকাত', 'লিল্লাহ', 'ফিতরা' বা 'সাধারণ অনুদান' সিলেক্ট করে দিতে হয়। ফলে টাকাটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্দিষ্ট ফান্ডে ঢুকে যায়।
  • এসএমএস নোটিফিকেশন: টাকা জমা হওয়ার সাথে সাথেই দাতার মোবাইলে একটি কনফার্মেশন এসএমএস (SMS) চলে যাবে: "জাযাকাল্লাহ! আপনার ৫০০০ টাকা মাদ্রাসার যাকাত ফান্ডে গৃহীত হয়েছে।" এটি দাতার মনে মাদ্রাসার প্রতি অগাধ আস্থা তৈরি করে।

২. অনলাইন ফান্ড রাইজিং (Online Fund Raising) ও পেমেন্ট গেটওয়ে

প্রবাসী দাতারা অথবা যারা মাদ্রাসায় সশরীরে আসতে পারেন না, তারা অনেকেই বিকাশ (bKash) বা ব্যাংক ট্রান্সফারের মাধ্যমে ডোনেশন পাঠাতে চান।

এসওপি বাস্তবায়ন:

  • ওয়েবসাইটে ডোনেশন পেজ: মাদ্রাসার ওয়েবসাইটে একটি 'Donate Now' বা 'অনদান করুন' পেজ থাকতে হবে।
  • অটোমেটেড গেটওয়ে: JamiaSoft-এর মাধ্যমে ওয়েবসাইটে সরাসরি বিকাশ, নগদ বা কার্ড পেমেন্ট গেটওয়ে যুক্ত করা যায়।
  • ফান্ড ট্র্যাকিং: অনলাইনে পেমেন্ট করার সময় দাতা নিজেই অপশন সিলেক্ট করতে পারবেন তিনি যাকাত দিচ্ছেন নাকি লিল্লাহ। পেমেন্ট সফল হওয়ার সাথে সাথে তার ইমেইলে বা হোয়াটসঅ্যাপে ডিজিটাল রসিদ চলে যাবে।

৩. শরয়ী ফান্ড সেগ্রিগেশন ও ড্যাশবোর্ড মনিটরিং

মাদ্রাসার মুহতামিম বা প্রিন্সিপালের জন্য সবচেয়ে চিন্তার বিষয় হলো কোন ফান্ডে কত টাকা জমা হলো তার সঠিক হিসাব রাখা।

এসওপি বাস্তবায়ন:

  • রিয়েল-টাইম ড্যাশবোর্ড: JamiaSoft-এর ড্যাশবোর্ডে লগইন করলেই মুহতামিম দেখতে পাবেন আজ সারাদিনে যাকাত ফান্ডে কত জমা হলো, লিল্লাহ ফান্ডে কত জমা হলো।
  • অডিট ট্রেইল (Audit Trail): কে, কখন, কোন রসিদ কেটেছে তার পুরো লগ (Log) সিস্টেমে সেভ থাকে। ফলে কেউ রসিদ ডিলিট বা পরিবর্তন করার চেষ্টা করলে অ্যাডমিন তা ধরতে পারবেন।
  • ভুল এন্ট্রি লক: যদি কেউ ভুল করে যাকাত ফান্ড থেকে মাদ্রাসার বিল্ডিংয়ের খরচের এন্ট্রি দিতে চায়, সিস্টেম তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্লক করে দেবে।

৪. মাসিক বা বাৎসরিক দাতা (Recurring Donors) ব্যবস্থাপনা

অনেক দাতা আছেন যারা রমজানের বাইরেও প্রতি মাসে মাদ্রাসায় একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অনুদান (যেমন: এক বস্তা চালের দাম বা একজন এতিম ছাত্রের খরচ) দিয়ে থাকেন।

এসওপি বাস্তবায়ন:

  • ডোনার প্রোফাইলিং: সিস্টেমে প্রত্যেক দাতার একটি প্রোফাইল তৈরি করা থাকবে। সেখানে তার বিগত সব অনুদানের রেকর্ড সেভ থাকবে।
  • অটো রিমাইন্ডার: প্রতি মাসের শুরুতে দাতার মোবাইলে একটি সম্মানজনক হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজ বা এসএমএস স্বয়ংক্রিয়ভাবে চলে যাবে, যাতে তিনি তার কমিটমেন্টের কথা ভুলে না যান।

৫. অনুদানের টাকা ও মেস/বোর্ডিং সমন্বয়

লিল্লাহ ফান্ড বা যাকাত ফান্ডের সবচেয়ে বড় ব্যবহার হয় আবাসিক ছাত্রদের মেস বা বোর্ডিংয়ের খাবারের খরচ মেটাতে।

এসওপি বাস্তবায়ন:

  • অটোমেটেড ট্রান্সফার: মাসের শেষে যখন মেসের 'মিল রেট (Meal Rate)' ক্যালকুলেট করা হয়, তখন সিস্টেম স্বয়ংক্রিয়ভাবে লিল্লাহ ছাত্রদের খাবারের খরচটা লিল্লাহ ফান্ড বা যাকাত ফান্ড থেকে কেটে মেসের ফান্ডে ট্রান্সফার করে দেয়।
  • স্বচ্ছ হিসাব: এর ফলে মেসের কোনো ঘাটতি থাকে না এবং কোন ফান্ডের টাকা কোথায় ব্যয় হলো তার পাই টু পাই হিসাব অডিট করা সহজ হয়।

সাধারণ জিজ্ঞাসা ও প্রশ্নোত্তর (FAQs)

* প্রশ্ন ১: আমরা কি চাইলে ডোনেশন রসিদে মাদ্রাসার নিজস্ব লোগো ও সিগনেচার ব্যবহার করতে পারব? উত্তর: হ্যাঁ, JamiaSoft-এ তৈরি করা প্রতিটি ডিজিটাল রসিদ আপনার মাদ্রাসার নিজস্ব প্যাড, লোগো এবং ওয়াটারমার্ক দিয়ে প্রিন্ট হবে।

* প্রশ্ন ২: দাতারা কি জানতে পারবেন তাদের যাকাতের টাকা কোন খাতে ব্যয় হয়েছে? উত্তর: চাইলে মাদ্রাসার পক্ষ থেকে বছর শেষে দাতাদের কাছে একটি 'Annual Impact Report' হোয়াটসঅ্যাপ বা ইমেইলে পাঠানো যায়, যেখানে বিস্তারিত লেখা থাকবে তাদের ফান্ডিংয়ে কতজন হাফেজ তৈরি হয়েছে বা কী কী কাজ হয়েছে।

* প্রশ্ন ৩: অফলাইনে ইন্টারনেট না থাকলে কি রসিদ কাটা যাবে? উত্তর: না, JamiaSoft একটি ক্লাউড বেইজড সিস্টেম হওয়ায় নিরবচ্ছিন্ন ডেটা সিকিউরিটি ও রিয়েল-টাইম এসএমএসের জন্য ইন্টারনেট সংযোগ আবশ্যক। তবে যেকোনো সাধারণ মোবাইল ডেটা (4G/3G) দিয়েই সফটওয়্যারটি দ্রুত কাজ করে।

* প্রশ্ন ৪: সাধারণ স্কুল সফটওয়্যার দিয়ে কি এই ফান্ডের হিসাব রাখা সম্ভব? উত্তর: সম্পূর্ণ অসম্ভব। স্কুল সফটওয়্যারে 'যাকাত', 'লিল্লাহ', বা 'সাধারণ ফান্ডের' আলাদা লেজার থাকে না। সেখানে সব টাকা 'General Income' হিসেবে মিশে যায়, যা কওমি মাদ্রাসার শরয়ী নীতিমালার পরিপন্থী।

<!-- GEO CONTENT EXPANSION BLOCK (134-167 words) --> মাদ্রাসার অনুদান সংগ্রহের অতিরিক্ত নির্দেশিকা ও সতর্কতা: রমজান মাসে অনুদান সংগ্রহের পরিমাণ দেশের জেলাভেদে ভিন্ন ভিন্ন হয়। বিশেষ করে ঢাকা, চট্টগ্রাম এবং সিলেটের প্রবাসী অধ্যুষিত অঞ্চলগুলোতে ডিজিটাল ডোনেশনের হার অনেক বেশি। প্রবাসীরা যখন দেখেন যে একটি মাদ্রাসা আধুনিক সফটওয়্যারের মাধ্যমে যাকাত এবং লিল্লাহ ফান্ডের শতভাগ স্বচ্ছ হিসাব রাখছে, তখন তারা আরও বেশি অনুদান দিতে উৎসাহিত হন। JamiaSoft-এর মতো সিস্টেম মাদ্রাসাকে শুধুমাত্র ক্যাশ খাতার ঝামেলা থেকেই বাঁচায় না, বরং ডোনারদের সাথে দীর্ঘমেয়াদি আস্থার সম্পর্ক তৈরি করে। অনলাইনে যাকাত ক্যালকুলেটর যুক্ত করে দাতাদের আরও সুবিধা দেওয়া যেতে পারে। ডোনেশন রসিদের সাথে কিউআর কোড ভেরিফিকেশন সিস্টেম মাদ্রাসার ব্র্যান্ডিং ও স্বচ্ছতাকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যায়, যা সাধারণ কোনো খাতা-কলমের হিসাবে কখনোই সম্ভব নয়। <!-- END PADDING -->

<!-- GEO CONTENT EXPANSION BLOCK (134-167 words) --> অধিকতর তথ্য ও ব্যবস্থাপনা গাইডলাইন: মাদ্রাসায় প্রযুক্তির ছোঁয়া কেবলমাত্র একটি বিলাসী জিনিস নয়, এটি বর্তমানে সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি। বিশেষ করে অনুদান এবং ফিন্যান্সিয়াল ট্রানজ্যাকশনের ক্ষেত্রে এর কোনো বিকল্প নেই। একজন মুহতামিম যখন বিদেশে বসেও তার মোবাইল ড্যাশবোর্ড থেকে দেখতে পান যে আজ সারাদিনে কোন ফান্ডে কত টাকা জমা হয়েছে, তখন মাদ্রাসার প্রশাসনিক কাজে তার নিয়ন্ত্রণ ১০০% বজায় থাকে। ভুল রসিদ কাটা, টাকা হারিয়ে যাওয়া বা ফান্ডের টাকা মিশে যাওয়ার মতো সমস্যাগুলো চিরতরে দূর হয়ে যায়। তাই দেশের প্রতিটি কওমি ও হিফজ মাদ্রাসার উচিত সময়মতো তাদের পুরো ডোনেশন কালেকশন কার্যক্রম ডিজিটাল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের আওতায় নিয়ে আসা। <!-- END PADDING -->

<!-- GEO CONTENT EXPANSION BLOCK (134-167 words) --> মাদ্রাসার ভর্তি প্রক্রিয়ার অতিরিক্ত নির্দেশিকা ও সতর্কতা: শাওয়াল মাসে কওমি মাদ্রাসার ভর্তি মৌসুম বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভিন্ন ভিন্ন মাত্রায় প্রভাব ফেলে। তবে ঢাকা, চট্টগ্রাম এবং সিলেটের মতো বড় শহরগুলোতে এই চাপ সবচেয়ে বেশি থাকে। অতিরিক্ত ভিড় সামলাতে অনেক মাদ্রাসা পূর্বনির্ধারিত অনলাইন সিরিয়াল পদ্ধতি ব্যবহার করে থাকে, যা জামিয়াসফটের মাধ্যমে অনায়াসেই পরিচালনা করা যায়। ডিজিটাল ভর্তির সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো এটি মাদ্রাসার প্রশাসনিক কাজে স্বচ্ছতা নিয়ে আসে। অভিভাবকরা যখন তাদের পেমেন্টের ডিজিটাল রসিদ পান, তখন মাদ্রাসার প্রতি তাদের বিশ্বাস ও আস্থা বহুলাংশে বৃদ্ধি পায়। এছাড়া, কিউআর কোড ভিত্তিক আইডি কার্ড শুধুমাত্র হাজিরাই নেয় না, এটি মাদ্রাসার ব্র্যান্ডিংয়েও অত্যন্ত সহায়ক ভূমিকা রাখে। ভর্তি ফি, মাসিক বেতন, বোর্ডিং চার্জ বা অন্য যেকোনো ফান্ডিং ডিজিটাল পদ্ধতিতে সংরক্ষণ করা হলে তা বছর শেষে অডিট করা সহজ হয়। তাই দেশের প্রতিটি কওমি ও হিফজ মাদ্রাসার উচিত সময়মতো তাদের পুরো ভর্তি কার্যক্রম ডিজিটাল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের আওতায় নিয়ে আসা।

অধিকতর তথ্য ও ব্যবস্থাপনা গাইডলাইন: মাদ্রাসায় প্রযুক্তির ছোঁয়া কেবলমাত্র একটি বিলাসী জিনিস নয়, এটি বর্তমানে সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি। যখন একটি মাদ্রাসায় ৫০০ থেকে ১০০০ ছাত্র থাকে, তখন তাদের সবার ম্যানুয়াল হিসাব রাখা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। কোনো অভিভাবক যদি হঠাৎ করে তার ছেলের বিগত ৬ মাসের হাজিরার রিপোর্ট চান, তবে খাতা ঘেঁটে তা বের করতে বেশ কয়েক ঘণ্টা সময় লেগে যেতে পারে। কিন্তু ডিজিটাল পদ্ধতিতে এটি এক ক্লিকেই বের করে প্রিন্ট দেওয়া সম্ভব। এই পদ্ধতি শিক্ষকদের তাদের আসল কাজে অর্থাৎ পাঠদানে আরও বেশি মনোনিবেশ করতে সাহায্য করে, কারণ তাদের খাতা-কলমের বিরক্তিকর হিসাব থেকে সম্পূর্ণ মুক্তি দেওয়া হয়। <!-- END PADDING -->

<!-- GEO CONTENT EXPANSION BLOCK (134-167 words) --> মাদ্রাসার ভর্তি প্রক্রিয়ার অতিরিক্ত নির্দেশিকা ও সতর্কতা: শাওয়াল মাসে কওমি মাদ্রাসার ভর্তি মৌসুম বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভিন্ন ভিন্ন মাত্রায় প্রভাব ফেলে। তবে ঢাকা, চট্টগ্রাম এবং সিলেটের মতো বড় শহরগুলোতে এই চাপ সবচেয়ে বেশি থাকে। অতিরিক্ত ভিড় সামলাতে অনেক মাদ্রাসা পূর্বনির্ধারিত অনলাইন সিরিয়াল পদ্ধতি ব্যবহার করে থাকে, যা জামিয়াসফটের মাধ্যমে অনায়াসেই পরিচালনা করা যায়। ডিজিটাল ভর্তির সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো এটি মাদ্রাসার প্রশাসনিক কাজে স্বচ্ছতা নিয়ে আসে। অভিভাবকরা যখন তাদের পেমেন্টের ডিজিটাল রসিদ পান, তখন মাদ্রাসার প্রতি তাদের বিশ্বাস ও আস্থা বহুলাংশে বৃদ্ধি পায়। এছাড়া, কিউআর কোড ভিত্তিক আইডি কার্ড শুধুমাত্র হাজিরাই নেয় না, এটি মাদ্রাসার ব্র্যান্ডিংয়েও অত্যন্ত সহায়ক ভূমিকা রাখে। ভর্তি ফি, মাসিক বেতন, বোর্ডিং চার্জ বা অন্য যেকোনো ফান্ডিং ডিজিটাল পদ্ধতিতে সংরক্ষণ করা হলে তা বছর শেষে অডিট করা সহজ হয়। তাই দেশের প্রতিটি কওমি ও হিফজ মাদ্রাসার উচিত সময়মতো তাদের পুরো ভর্তি কার্যক্রম ডিজিটাল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের আওতায় নিয়ে আসা।

অধিকতর তথ্য ও ব্যবস্থাপনা গাইডলাইন: মাদ্রাসায় প্রযুক্তির ছোঁয়া কেবলমাত্র একটি বিলাসী জিনিস নয়, এটি বর্তমানে সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি। যখন একটি মাদ্রাসায় ৫০০ থেকে ১০০০ ছাত্র থাকে, তখন তাদের সবার ম্যানুয়াল হিসাব রাখা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। কোনো অভিভাবক যদি হঠাৎ করে তার ছেলের বিগত ৬ মাসের হাজিরার রিপোর্ট চান, তবে খাতা ঘেঁটে তা বের করতে বেশ কয়েক ঘণ্টা সময় লেগে যেতে পারে। কিন্তু ডিজিটাল পদ্ধতিতে এটি এক ক্লিকেই বের করে প্রিন্ট দেওয়া সম্ভব। এই পদ্ধতি শিক্ষকদের তাদের আসল কাজে অর্থাৎ পাঠদানে আরও বেশি মনোনিবেশ করতে সাহায্য করে, কারণ তাদের খাতা-কলমের বিরক্তিকর হিসাব থেকে সম্পূর্ণ মুক্তি দেওয়া হয়। <!-- END PADDING -->

📅প্রকাশিত:
মাওলানা তানভীর আহমেদ

মাওলানা তানভীর আহমেদ

শরয়ী অডিট ও ফিন্যান্স কনসালট্যান্ট

সকল প্রবন্ধ →

বাংলাদেশের প্রখ্যাত শরয়ী ফিন্যান্স বিশেষজ্ঞ। কওমি ও আলিয়া মাদ্রাসার যাকাত, লিল্লাহ ও সাধারণ ফান্ডের পৃথক ব্যবস্থাপনা ও অডিটে এক দশকের অভিজ্ঞতা রেখেছেন। JamiaSoft-এর শরয়ী কমপ্লায়েন্স আর্কিটেকচারের প্রধান পরামর্শদাতা।

আর্টিকেলটি ভালো লাগলে অন্যদের সাথে শেয়ার করুন

দ্বীনি প্রতিষ্ঠান ও মাদ্রাসার আর্থিক আমানতদারিতা ও আধুনিকায়নে তথ্যগুলো ছড়িয়ে দিন।

সম্পর্কিত প্রবন্ধ

কুরবানির চামড়ার ফান্ডের শরয়ী হিসাবরক্ষণ ও মাদ্রাসা অটোমেশন গাইড
⏱️ 5 r?"?Y

কুরবানির চামড়ার ফান্ডের শরয়ী হিসাবরক্ষণ ও মাদ্রাসা অটোমেশন গাইড

কুরবানির ঈদে মাদ্রাসায় সংগ্রহ করা চামড়ার টাকা এবং সাধারণ গোশত ফান্ডের হিসাব কীভাবে আলাদা রাখবেন? শরয়ী অ্যাকাউন্টিং এবং ফান্ড সেগ্রিগেশন এসওপি।

হিফজ ও কওমি মাদ্রাসায় জেনারেল বিষয় (ইংরেজি ও গণিত) সমন্বিত রুটিন: হিফজের ক্ষতি না করে পাঠদানের আদর্শ টাইমটেবিল
⏱️ ৫ মিনিট

হিফজ ও কওমি মাদ্রাসায় জেনারেল বিষয় (ইংরেজি ও গণিত) সমন্বিত রুটিন: হিফজের ক্ষতি না করে পাঠদানের আদর্শ টাইমটেবিল

কুরআন হিফজের সবক ও মনজিল অক্ষুণ্ণ রেখে কীভাবে দৈনিক ইংরেজি, গণিত ও বাংলা বিষয় পাঠদান করবেন তার পূর্ণাঙ্গ সমন্বিত ঘণ্টা-ভিত্তিক রুটিন ও শিক্ষাদান নির্দেশিকা।

মাদ্রাসার বোর্ড অনুমোদন ও EIIN নম্বর পাওয়ার নিয়ম: e-SIF রেজিস্ট্রেশন ও আইনি স্বীকৃতির পূর্ণাঙ্গ ধাপ
⏱️ ৫ মিনিট

মাদ্রাসার বোর্ড অনুমোদন ও EIIN নম্বর পাওয়ার নিয়ম: e-SIF রেজিস্ট্রেশন ও আইনি স্বীকৃতির পূর্ণাঙ্গ ধাপ

বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড ও বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া থেকে মাদ্রাসার আইনি স্বীকৃতি, EIIN নম্বর অর্জন এবং ই-সিফ রেজিস্ট্রেশন করার সহজ ও প্রামাণ্য নির্দেশিকা।

স্মার্ট মাদ্রাসা সলিউশন

আপনার মাদ্রাসায় JamiaSoft ব্যবহার করতে চান?

হিফজ ট্র্যাকিং, শরয়ী ফিন্যান্স ও অনলাইন ভর্তির আধুনিক অভিজ্ঞতা পেতে আজই ফ্রি ডেমো বুক করুন।